দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজের উপজেলায় আসবেন (২০ তারিখ, শনিবার) ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম
দীর্ঘ ১৭ বছর নিজের উপজেলায় আসবেন ২০ তারিখ (শনিবার) ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম কেশবপুরবাসী অপেক্ষার প্রহর গুনছে নিজের সন্তানকে বরন করে নিতে।
ইতোমধ্যে কেশবপুর উপজেলা ও পৌর এলাকার প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যানার, ফেস্টুনে সজ্জিত করেছে নেতাকর্মীরা, নিজেদের সংগ্রামী ও মৃত্যুঞ্জয়ী জাতীয়তাবাদী আদর্শের ঈমানদার সৈনিক ও দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচার বিরোধী হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে অগ্নিপুরুষ সারা দেশে আড়োলন সৃষ্টিকারী জাতীয় নেতাকে বরন করতে বাজারে বাজারে, ইউনিয়নে ইউনিয়নে শুভেচ্ছা মিছিল করেছেন নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা.
শ্রাবণ ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হলে, তার বিপরীতে তার পরিবারেকে দাঁড় করিয়ে তাকে বাদ দেওয়া হয়ছিলো, কিন্তু ঐ সময় সবথেকে নির্যাতিত ছাত্রনেতা ছিল সে, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নাজমুল তার পায়ে গুলি করে পুলিশে দিয়েছিল ।
শ্রাবণ ছাত্রদলের ২০১৯ সালের কাউন্সিলে সাভাপতি পদপ্রার্থী হলে, তার বিপরীতে তার পরিবারকে দাঁড় করিয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ মিডিয়া পাড়ায় ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়ছিলো, ফলাফল অবশেষে ৮ ভোটে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে ছিল।
আগামীকাল ২০ শে সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার শ্রাবণ তার নিজ জন্মভুমিতে ফিরবেন, এবারও একই ভাবে তার পারিবারকে তার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এলাকাবাসি বলছেন, তার পরিবারকে তার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে সাময়িক সময়ের জন্য হয়তো তাকে আটকিয়ে রাখা গেছে কিন্তু তার এই সংগ্রামী জীবনে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছে, সে আমাদের এলাকার সম্পদ, গর্ব। আজ সারাদেশ কেশবপুরকে চেনে শ্রাবণ এর মাধ্যমে। আমরা তার ত্যাগ, সংগ্রাম,দলের প্রতি তার আস্থাকে, অবদানকে বিবেচনায় নিবো। আগামী নিরবাচনে তারেক রহমান তাকে ধানের শীষের টিকেট দিলে দল মত নির্বিশেষে কেশবপুরবাসি শ্রাবণকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের পদ না পেলেও জানাব তারেক রহমান তাকে একই সময়ে কেন্দ্রীয় সংসদের ছাত্রওবৃত্তি কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে সম্মানিত করেন। ৮ ভোটে পিছিয়ে থেকে সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হন, এবং পরবর্তীতে জনাব তারেক রহমান ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সর্বোচ্চ পদ সভাপতি পদে তাকে মূল্যায়ন করেন।
সুতরাং তার বিপরীতে তার পরিবারকে দাঁড় করিয়ে তাকে পিছিয়ে দেওয়ার আর কোন সুযোগ নেই, এই পরীক্ষা সে বার বার দিয়েছে এবং পাশ করে সর্বোচ্চ পদ ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছে।
প্রিয় কেশবপুরবাসী তাই আসুন আগামীকাল ২০ শে সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার সব কিছু ভুলে সকল রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বাদ রেখে, সমস্ত গ্রুপিংয়ের উর্ধ্বে উঠে, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল জাতীয়তাবাদী পরিবার তাকে তার নিজ উপজেলায় স্বাগতম জানাবে বলে বিশ্বাস।
##