আবহমান কাল ধরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সমপ্রীতি ও সৌহার্দ্য চলে আসছে। মাঝে মধ্যে কিছু দুষ্টুচক্র আমাদের এই সম্পর্কে ফাটল ধরানোর অপপ্রয়াস চালিয়েছে, এখনও চালাচ্ছে। তবে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে আমরা এই দূবৃত্তদের কালো হাত ভেঙে দিতে পারব।
বুধবার (০১অক্টোবর) দিনভর তালা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শারদীয় দূর্গাৎসবের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
এসময় তিনি পিআর পদ্ধতির সমালোচনা করে বলেন, পিআর কি তা না জেনে অযথা পরিষ্কার পানিকে ঘোলাটে করার অপচেষ্টায় তৎপর রয়েছে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দল। এসময় তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রাখেন, আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবেন, আর এমপি হবে গোপালগঞ্জের কেউ তা কি আপনারা চাইবেন? এসময় সকলে তার প্রশ্নের উত্তরে না না ধ্বনির আওয়াজ তোলে । আমি চাই আপনারা নিরাপদে কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দমত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে এমপি বানাবেন। যে আপনাদের এলাকার জন্য কাজ করবে, সুখে দুখে সব সময় যাকে পাশে পাবেন তাকে ভোট দিয়ে আপনারাই নির্বাচিত করবে । আমি এই এলাকা থেকে দু’বার আপনাদের প্রত্যক্ষ ভোটে এমপি হয়েছিলাম ।
২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে তালা উপজেলায় অবকাঠামোগত নজিরবিহিন উন্নয়ন করেছি । বেকারদের চাকুরী দিয়েছি বিনিময়ে একটি টাকাও ঘুষ নিয়েছি কেউ বলতে পারবে না । কারো সাথে অন্যায় করেছি বলতে পারলে আমি আর ভোট চাইবো না । ২০০৮ সালের নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করা হয়। তারপর কয়েক ডজন মিথ্যা মামলা দিয়ে জনগণ থেকে আমাকে দুরে রাখতে চেয়েছিল পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা । ৭০ বছরের জেল দিয়ে আমাকে জুডিশিয়ালী হত্যা করতে চেয়েছিল । তার কোন ষড়যন্ত্রই কাজে আসেনি । জনগণের দোয়া ও ভালবাসা আমার সাথে আছে বলেই সৃষ্টিকর্তা আমাকে বাঁচিয়েছে। উল্টো জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদের মত অসংখ্য শিক্ষার্থীদের বুকে গুলি চালিয়ে ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে পারেনি শেখ হাসিনা। প্রাণে বাঁচতে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে এদেশের ছাত্র জনতা । সেখানে পালিয়ে থেকে বাংলাদেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সে । আপনারা সবাই সজাগ থাকবেন, ঐক্যবদ্ধ থাকবেন তাহলেই যেকোন ষড়যন্ত্র নসাৎ করা সম্ভব হবে । সম্প্রদায়িক সম্প্রতির বাংলাদেশে কোন দ্বিধাবিভাজন চলবে না।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক সফিকুল ইসলাম, সহ সভাপতি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম এম মারুফুল ইসলামসহ তালা উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ।
##





