জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নীতিগতভাবে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য ‘জুলাইযোদ্ধা’দের দায়মুক্তি দিতে নতুন একটি অধ্যাদেশ জারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আইন মন্ত্রণালয়কে দ্রুত অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুতগতিতে শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীকাল বুধবারই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই হাদি হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা ও অনুপ্রবেশের আশঙ্কা মোকাবিলায় কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়। পার্বত্য এলাকায় শান্তি বজায় রাখা এবং মাদক ও চোরাচালান দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।





