সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদরে তামান্না তাছনিন জ্যোতি (২২) নামে এক গ্রহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহত জ্যোতির শ্বশুর বাড়ির লোকজন ঘটনাকে আতœহত্যা দাবি করলেও তার পরিবারের লোকজন বলছে হত্যার পর ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে লাশ। উভয় পক্ষের এমন ধু¤্রজাল সূচক দাবির প্রেক্ষিতে তালা থানা পুলিশ লাশটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে তালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারুইহাটি গ্রামে এঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূ ওই গ্রামের বাবুরালি সরদারের ছেলে আশরাফুল সরদারের স্ত্রী ও খলিলনগর ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামের শফিকুল মোড়লের মেয়ে।
জ্যোতির ভাই জোবায়ের আহমেদ জানান, আমাদেরকে গতকাল রাত ৩ টার সময় আমার ভগ্নিপতির চাচা ফোন দিয়ে আমার বোনের মৃত্যুর খবর জানাই। আমরা ঐ মুহুর্তে আমার ভগ্নিপতির বাড়ি যাই এবং দেখি আমার বোন খাটের উপর শোয়ানো। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে টিসু পেপার দিয়ে রক্ত মুছার চিহ্নি দেখা গেছে। আর সেই রক্ত মুছা টিসু পেপার রান্না ঘরের পাশে ফেলানো পাওয়া গেছে। আমার বোনকে ওরা হত্যা করে পরে গলায় উড়না পেচিয়ে আড়ায় ঝুলিয়ে দিয়েছে। পারিবারিক জীবনে সাড়ে ৪ বছরের একটি পুত্র সন্তান আছে রয়েছে তাদের। আমি আমার বোনকে হত্যার বিচার চাই।
আশরাফুলের ভাই রাজ্জাক সরদার জানান, গতকাল মঙ্গলবার দুপুওে আমার বাড়িতে দাওয়াত খেতে আসে আশরাফুল ও তার স্ত্রী জ্যোতি। খাওয়া শেষে আমার স্ত্রী হালিমার ভ্যানিটি ব্যাগে সাড়ে ৪ শ টাকা রেখে পাশে পেঁপে ক্ষেতে পেঁপে আনতে গেলে জ্যোতি সেই টাকা আমার স্ত্রীর অজান্তে নিয়ে তার জামার হাতার মধ্যে রাখে পরে এক পর্যায় সেই টাকা জ্যোতির কাছ থেকে বের হয়। পরে আমার ভাই আশরাফুল তাকে চড় থাপ্পড় মারে তাতে জ্যোতি ক্ষিপ্ত হয়। পরে আমি বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। আমার মনে হয় জ্যোতি সেই ক্ষোভে রাতে গলায় উড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
##





