শাপলা চত্বরে হত্যার ঘটনা ছিল পরিকল্পিত ও লক্ষ্যভিত্তিক: চিফ প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে হত্যার ঘটনা ছিল একটি পদ্ধতিগত অপরাধ। এটি ছিল পরিকল্পিত ও লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাযজ্ঞ। ব্যাপক এই হত্যাকাণ্ড সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি রয়েছে। কারণ, যখন ব্লগারদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করছিলেন, ঠিক তখনই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এই সংগঠনটিকে একেবারে নিঃশেষ করে দেওয়ার জন্য নানা পরিকল্পনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এমন হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে।
আজ রোববার নিজ কার্যালয়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ১৩ বছর আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে এখন পর্যন্ত নিহত ৬১ জনের তালিকা পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারকীয় ওই হত্যাকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে একটি খসড়া প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি এখন পর্যালোচনা বা চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যেন একটি সঠিক তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্বচ্ছ বিচার হয়। প্রকৃত আসামিরা যেন বিচারের সম্মুখীন হন। এজন্য হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আজ খসড়া প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করেছি। শিগগিরই পূর্ণ প্রতিবেদন হাতে পাবো বলে আশা করছি। আশা করছি, ২১ জুলাই এটি ফরমাল চার্জ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
##