শিরোনাম

** সাবেক ওসি নারীসহ আরেক স্ত্রী’র কাছে ধরা; দাবী তালাকের, কাগজ পাননি স্ত্রী | ** মাদক ও জুয়ামুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে ধানদিয়ায় ফুটবল বিতরণ। | ** সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরির বিষয়ে কাউকে দিয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা | ** ৩০ বছরের ট্রেন ৮ বছরেই মর্গে! সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে নেই দায়িত্বশীলতা। | ** বিশ্বজয়ী কুরআন হাফেজদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ | ** অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প | ** নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে নুসরাত ফারিয়া | ** কিশোর গ্যাং দমনে মোহাম্মদপুরে হচ্ছে ৩ থানা: ববি হাজ্জাজ | ** নতুন নেতৃত্ব প্রায় চূড়ান্ত, কার ভাগ্যে কোন পদ? | ** গার্মেন্টস কর্মকর্তা হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন | ** দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান | ** আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও শিল্প পুনরুদ্ধারে নতুন করে খুলনাকে গড়তে হবে: হুইপ বকুল |
  • বাংলাদেশ
  • জাতীয়
  • ওবায়দুল কাদের সাদ্দামকে বলেছিল, ‘তোমরা মারো না কেন?’: চিফ প্রসিকিউটর

ওবায়দুল কাদের সাদ্দামকে বলেছিল, ‘তোমরা মারো না কেন?’: চিফ প্রসিকিউটর

image_print
image_print

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আন্দোলনকারীদের মারধরের জন্য উসকানি দেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, কাদের সাদ্দামকে বলেছিল, ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ এভাবে ছাত্রলীগকে নানাভাবে উসকানি দেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ৭ জনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা জানান চিফ প্রসিকিউটর।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তবে সাত আসামির সবাই পলাতক রয়েছেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামিদের উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সারাদেশে তৎকালীন আওয়ামী লীগের সরকারের আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে নির্বিচারে মানুষকে গুলি করে হত্যা করেন।

তিনি আরও বলেন, ১১ জুলাই সাদ্দামকে ‘মারো না কেন, মারো’ বলা হয়। এরপরেই ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হন। ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়। এ সময় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, শুধু তাই নয়, ওবায়দুল কাদের এটাও বলেছিলেন যে, এই আন্দোলনকারীদের আন্দোলন দমন করার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের কারণেই এত বড় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি ও সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটির পাশাপাশি ব্যক্তিগত দায়ও ছিল।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাইয়ে ১৪ দলীয় বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে সব আসামি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নেন।

ওবায়দুল কাদেরের আরেকটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি বলেছিলেন—‘শুট অ্যাট সাইট, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা আছে।’ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিচারে ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

নিউজে সর্বশেষ

সাবেক ওসি নারীসহ আরেক স্ত্রী’র কাছে ধরা; দাবী তালাকের, কাগজ পাননি স্ত্রী

চার দিন আগে স্ত্রী আন্নি আক্তারকে তালাক দেওয়ার দাবি করেছেন রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বর্তমানে ...

মাদক ও জুয়ামুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে ধানদিয়ায় ফুটবল বিতরণ।

৯টি ওয়ার্ডে ১৩টি ফুটবল বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা গাজী মামুনূর রশীদ মাদক ও জুয়ার মতো ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে তরুণ সমাজকে ...

সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরির বিষয়ে কাউকে দিয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা

কোনো সরকারি কর্মচারী তার চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে কাউকে দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে ওই কর্মচারীর (আইনানুযায়ী কর্মকর্তারাও কর্মচারী) বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া ...

এত স্কুল, এত পরীক্ষা, এত সার্টিফিকেট। কিন্তু এত কিছুর ভিড়ে সত্যিকারের শিক্ষাটা আসলে কোথায়? অথচ উচিত ছিল পরীক্ষার জন্য নয়, পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা।

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, #মহান_শিক্ষা_দিবস। ১৯৬২ সালের এই দিনে বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে রাজপথে রক্ত দিয়েছিলেন মোস্তফা, বাবুল, ওয়াজিউল্লাহসহ অনেকে। সেই ঘটনার ...

Showing Slide 1 of 5