দিল্লীতে শেখ হাসিনার বৈঠক, যে নির্দেশনা পেলেন শীর্ষ নেতারা
তবে সরাসরি আলোচনাটি দিল্লির পুলিশ বিশেষ কারণ দেখিয়ে বাতিল করলেও শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বৈঠক হয় অনলাইন বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে। ঢাকার সময় রাত সাড়ে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখার সময়ও বৈঠক চলছিল বলে বিশেষ সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে এই প্রতিবেদক।
যদিও আমন্ত্রণ পাওয়া সকল নেতা ও বিশেষ ব্যক্তিরা বৈঠক বাতিলের আগেই দিল্লি পৌঁছেছিলেন। আমন্ত্রিত সকলেই সেখানে অবস্থানরত অবস্থায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন শেখ হাসিনার সঙ্গে।
এদিকে শেখ হাসিনাকে কিছুদিন আগে দিল্লির একটি প্রকাশ্য সভায় ভিডিও মাধ্যমে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা করেন তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রীরা। শেখ হাসিনা ইস্যুতেই এই সরকারের সঙ্গে ভারত বা মোদি সরকারের সম্পর্কে সংকট চলছে। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের আমন্ত্রণ পেয়েও দেশটি সফর করতে এখনো রাজি হননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এমনকি ভারতের আমন্ত্রণে যোগ দেননি ব্রিকস সম্মেলনেও। এমন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গিতে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে মোদি সরকার। শেষপর্যন্ত অনুমতি ও নিরাপত্তা দেওয়ার লক্ষ্য থেকে কিছৃুটা সরে বৈঠকটি বাতিল করে। যে খবর সকালেই দিয়েছে ভারতের গণমাধ্যম। তবে সামনাসামনি আলোচনার সুযোগ বাতিল করে কেনো ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনাকে আবার রাজনৈতিক সুযোগ দিলো ভারত, সে সমীকরণ অনেকটাই অস্পষ্ট।
দিল্লিতে বসে অনলাইন বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ সভায় নেতৃত্ব দেন শেখ হাসিনা, যার দল আওয়ামী লীগ বা ব্যক্তি হাসিনার রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত সকল কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বাংলাদেশে।
বৈঠকের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে ডিসেম্বর মাসের সময়সীমাতেই অনঢ রয়েছেন শেখ হাসিনা, নেতাদের বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। তবে দলটির কার্যক্রমে বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক পদক্ষেপ বা কার্যক্রম প্রকাশ করা হলো না।
###