তালা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুবাদে প্রতিপক্ষের লাগাতার হামলা ও আগ্রাসী আচরণের ভয়ে পুরো ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে অসহায় একটি পরিবার । এ ঘটনার প্রতিকার পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও কোন সুরাহা না পেয়ে স্তব্ধ ঘরবন্দি জীবন যাপন করছে পরিবারটি।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, নিজ জমির গাছ কর্তনের সময় উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের চাঁদকাটি গ্রামের মোকাম আলী গাজীর উপর অতর্কিত হামলা চালায় একই গ্রামের মৃত মফিজুল মোড়লের পুত্র হাবিবুর মোড়ল, লিটন মোড়ল ও স্ত্রী কোহিনুর বেগম। বয়োবৃদ্ধ মোকাম গাজীর সন্তানেরা জীবিকার তাগিদে বাড়িতে না থাকায় ঠেকাতে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিটের শিকার হয় তার স্ত্রী, প্রতিবন্ধী কন্যা ও ২ পুত্রবধূ । ঘটনার সময়ে তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে ঘটনাস্থলে মারপিটের শিকার হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়া মোকাম গাজী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
মোকাম গাজীর প্রবাসী ছেলে আজহারুল ইসলাম মোবাইলে জানান, আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমার পরিবারের উপর লাগাতার হামলা ও পরিবারের মহিলা সদস্যদের কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করছে প্রতিপক্ষের লোকজন । এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেও সুষ্ঠ বিচার না পাওয়ায় মারাতœক হতাশ হয়ে পড়েছে পরিবার।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোকার গাজীর মালিকানাধীন দাবী করা উপজেলার চাঁদকাটি মৌজার একটি জমি থেকে গাছ কেটে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। অপর একটি গাছের কিছু অংশ কর্তন করা রয়েছে। মোকাম গাজী দাবী করছেন ঘটনাস্থলের জমিটি ১৯৯১ সালে ক্রয় করার পর থেকেই কোন প্রকার বাধা বিঘœ ছাড়াই তিনি ভোগ দখল করছেন। ঘটনার দিন সেই জমি থেকে একটি গাছ কাটতে শুরু করলে প্রতিপক্ষের হাবিবুর গংরা তার উপর হামলা করে। তবে হাবিব গংদের সাথে তাদের অপর একটি জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
অভিযুক্ত হাবিবুরের বক্তব্য নিতে গেলে তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি তবে তার স্ত্রী জানায়, ওই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় গাছ কাটতে গেলে মোকাম গাজীকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কথা বলার একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মোকাম গাজী । তাকে কেউ মারপিট করেন নি।
লিখিত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) আমিরুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম । পরে আমি একটি ট্রেনিংয়ে চলে এসেছি। থানায় ফিরে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসাবসি করা হবে।
##





