শিরোনাম

** সাবেক ওসি নারীসহ আরেক স্ত্রী’র কাছে ধরা; দাবী তালাকের, কাগজ পাননি স্ত্রী | ** মাদক ও জুয়ামুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে ধানদিয়ায় ফুটবল বিতরণ। | ** সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরির বিষয়ে কাউকে দিয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা | ** ৩০ বছরের ট্রেন ৮ বছরেই মর্গে! সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে নেই দায়িত্বশীলতা। | ** বিশ্বজয়ী কুরআন হাফেজদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ | ** অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প | ** নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে নুসরাত ফারিয়া | ** কিশোর গ্যাং দমনে মোহাম্মদপুরে হচ্ছে ৩ থানা: ববি হাজ্জাজ | ** নতুন নেতৃত্ব প্রায় চূড়ান্ত, কার ভাগ্যে কোন পদ? | ** গার্মেন্টস কর্মকর্তা হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন | ** দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান | ** আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও শিল্প পুনরুদ্ধারে নতুন করে খুলনাকে গড়তে হবে: হুইপ বকুল |
  • স্বাস্থ্য
  • আড়াই বছরে রূপান্তরের মহাকাব্য ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের নেতৃত্ব

আড়াই বছরে রূপান্তরের মহাকাব্য ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের নেতৃত্ব

image_print
image_print

দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ বিশেষায়িত হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসিএইচ)। প্রতিদিন হাজার হাজার প্রান্তিক ও মুমূর্ষু মানুষের ভরসাস্থল এই প্রতিষ্ঠানে বিগত ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত যে প্রশাসনিক দৃঢ়তা, সেবা সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত সংস্কার সাধিত হয়েছে, তা দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বহুমুখী ও যুগান্তকারী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশাসনিক রূপকার হিসেবে সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান। তাঁর দূরদর্শী ব্যবস্থাপনা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব হয়েছে, যা চূড়ান্ত স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে ভূষিত করেছে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’-এ।

জুলাই বিপ্লবের রক্তঝরা দিনে মানবতা ও সাহসিকতার অনন্য নজির:

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই উত্তাল ও হৃদয়বিদারক দিনগুলোতে যখন একসাথে শত শত বুলেটবিদ্ধ ও আশঙ্কাজনক রোগী হাসপাতালে এসেছিলেন, তখন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান নিজে ২৪ ঘণ্টা ইমার্জেন্সিতে উপস্থিত থেকে আতঙ্কিত ছাত্র-জনতাকে শান্ত রাখেন এবং জরুরি চিকিৎসা সুনিশ্চিত করেন। গণঅভ্যুত্থানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৮৬০ জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। ১৭১১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন এবং ৯৭৪ জনকে ভর্তি রেখে অপারেশনসহ জটিল চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। বেডের তীব্র সংকট সত্ত্বেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাঁদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড ও বেড বরাদ্দ রাখা হয়। বুলেটবিদ্ধ মুমূর্ষু রোগীদের দ্রুততম সময়ে ওটি-তে পাঠিয়ে জীবন রক্ষা করা এবং বহু আনীত মৃতদেহ ও পরিচয়হীন মরদেহ সংরক্ষণের আইনি জটিলতা অতি দ্রুত সমাধান করা ছিল তাঁর অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। ২৬ জুলাই ২০২৪ থেকে হাসপাতাল তহবিলের মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধাদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হচ্ছে, যার জন্য সরকারি কোনো অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হয়নি। বহু আশঙ্কাজনক আহতদের বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানোর জটিল প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাঁদের ও তাঁদের একজনের সহকারীর পাসপোর্টের অর্থও হাসপাতাল তহবিল থেকে প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় কমিটির সদস্য হিসেবে জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ ক্যাটাগরি নির্ধারণে তিনি প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন।

নিবিড় পরিচর্যায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন: আইসিইউ ও সিসিইউ সক্ষমতা দ্বিগুণ:

আইসিইউ বেডের তীব্র সংকটে আগে যেখানে প্রতিনিয়ত মুমূর্ষু রোগীদের জীবন সংশয়ে পড়ত, সেখানে নতুন পরিচালক যোগদানের পর অতি দ্রুত অবসটেট্রিক, জেনারেল ও সিসিএম বিভাগে নতুন ৩০টি আইসিইউ বেড সংযোজন করেন। এর পাশাপাশি হৃদরোগীদের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে আগে যেখানে সিসিইউ বেড সংখ্যা ছিল মাত্র ১৯টি, সেখানে পাশের অব্যবহৃত ছাদ সম্প্রসারণ করে নতুন আরও ১৮টি বেড স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে সিসিইউ-এর সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে প্রতিদিন হৃদরোগে আক্রান্ত অসংখ্য মানুষ দ্রুততম সময়ে জীবনরক্ষাকারী আইসিইউ ও সিসিইউ সেবা পাচ্ছেন।

ভোগান্তি কমাতে ২০ কাউন্টার, আধুনিক ল্যাব ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি কমপ্লেক্স:

বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা প্রায় ৫ হাজার রোগীর দীর্ঘ সারি ও ভিতরের বিশৃঙ্খলা বন্ধে হাসপাতালের বাইরে তৈরি করা হয়েছে ২০টি আধুনিক টিকিট কাউন্টার। ১০ টাকার টিকিট কেটে রোগীরা এখন স্বস্তিতে ও দ্রুগতিতে সেবা পাচ্ছেন। আগে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার স্যাম্পল দিতে রোগীদের প্রায় ৫০০ মিটার দূরে নতুন ভবনের ২য় তলায় যেতে হতো, যা ছিল দূরূহ ও কষ্টসাধ্য। এখন বহির্বিভাগের কাছেই নতুন স্যাম্পল কালেকশন রুম স্থাপন করায় রোগীদের সেই দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের ল্যাবরেটরি সেবা আরও আধুনিক করতে ডিএমসিএইচ-২ এর প্রশাসনিক ব্লকের রুম সংস্কার করে দ্বিতীয় আধুনিক অটোমেটেড ল্যাবরেটরি তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে ল্যাবরেটরির সক্ষমতা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে রেডিওলজি বিভাগে দিনে মাত্র ১৫০ জনের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা সম্ভব হলেও প্রতিদিনের চাহিদা ছিল ৩০০ জনের। এই জটিলতা দূর করতে একটি স্বল্প ব্যবহৃত স্থানে অনুদানের অর্থে ৪ রুমের বিশাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি কমপ্লেক্স স্থাপন করে ৪টি নতুন আধুনিক মেশিন যুক্ত করা হয়েছে, ফলে এখন রোগীদের দিনে দিনেই পরীক্ষা সম্পন্ন হচ্ছে।

৪ গুণ সম্প্রসারিত ইমার্জেন্সি ও ওয়ান স্টপ ক্যাজুয়ালিটি সার্ভিস:

দৈনিক প্রায় ১,৭০০ জন জরুরি রোগীর চাপ এবং সড়ক দুর্ঘটনা, স্ট্রোক ও বার্ন রোগীদের মাস ক্যাজুয়ালিটি বা একসাথে বহু রোগীর আগমন সামলাতে আগে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হতো। জুলাই বিপ্লবের শিক্ষা থেকে পরিচালক ইমার্জেন্সি অ্যান্ড ক্যাজুয়ালিটি বিভাগের আয়তন প্রায় ৪ গুণ বৃদ্ধি করেছেন। বর্তমানে এখানে গাইনি, শিশু এবং নাক-কান-গলা বিভাগের চিকিৎসকদের সরাসরি সংযুক্ত করে সার্বক্ষণিক ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ নিশ্চিত করা হয়েছে।

১৫ বছরের জট কাটিয়ে পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগে প্রশাসনিক গতি:

হাসপাতালের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি ফেরাতে দীর্ঘ ১৫ বছরের স্থবিরতা ভাঙেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান। ২০১০ সাল থেকে বন্ধ থাকা ৩য় ও ৪থ শ্রেণীর কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করে ৩৮ জন কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এছাড়া দীর্ঘ দেড় দশক ধরে শূন্য থাকা ৩য় ও ৪থ শ্রেণীর ৭২টি (স্হায়ী)
ঝুঁকিপূর্ণ পদে নতুন জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করেন। এছাড়া ১৩০ জনকে দৈনিক ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যা হাসপাতালের সামগ্রিক সেবায় অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করেছে।

​চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াতে বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু:

হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা ও কর্মস্থলে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করেছেন তিনি। উপযুক্ত রুট ও সময়সূচি নির্ধারণের মাধ্যমে চালুকৃত এই বাস সার্ভিস স্বাস্থ্যকর্মীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে।

​জাতীয় ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’
হাসপাতালের ঐতিহাসিক সাফল্য, সেবা সম্প্রসারণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নজিরবিহীন মানবিক অবদান এবং সেবা সহজীকরণের নানামুখী উদ্যোগকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’-এর আবেদন প্রক্রিয়া এবং আনুষঙ্গিক দাপ্তরিক নথিপত্র প্রস্তুতের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন। তাঁর এই গতিশীল নেতৃত্ব ও সামগ্রিক প্রশাসনিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের প্রথম ও বৃহত্তম এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালে অর্জন করে মর্যাদাপূর্ণ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামানের এই সততা, দূরদর্শিতা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে সাধারণ মানুষের কাছে আশার আলো হিসেবে পুনর্বাসিত করেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের প্রথম এবং সর্ববৃহৎ বিশেষায়িত হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ। প্রতিদিন হাজার হাজার প্রান্তিক এবং মুমূর্ষ রোগীর একমাত্র স্বাস্থ্যসেবার ভরসা স্থল হাসপাতালটি। এখানে প্রশাসনিক দৃঢ়তা, সেবা সম্প্রসারণ ও ডাক্তার নার্সদের সেবার মাধ্যমে রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং ২০২৪ জুলাই বিপ্লবে রক্ত ঝরা দিনে মানবতা ও সাহসিকতার সাথে ২৮৬০ জন রোগীকে শুধু চিকিৎসা নিশ্চিত করুনসহ, হাসপাতালে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসার মান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬শে ভূষিত হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। আমি দায়িত্বে থাকাকালীন সর্বাত্মক চেষ্টার মাধ্যমে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত, দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আজকে সম্মানজনক প্রতিষ্ঠানে পরিচিতি পেয়েছে। আজকেও হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ড, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ল্যাবরটরিসহ হাসপাতালের সার্বিক বিষয় নিয়ে ভিজিটে গিয়ে নাসিমা আক্তার নামে একজন নারীসহ ঢাকা ডায়গনস্টিক সেন্টারে পরিচয় দানকারী চানখারপুল এলাকার জনি নামে আরেক দালালকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নিউজে সর্বশেষ

সাবেক ওসি নারীসহ আরেক স্ত্রী’র কাছে ধরা; দাবী তালাকের, কাগজ পাননি স্ত্রী

চার দিন আগে স্ত্রী আন্নি আক্তারকে তালাক দেওয়ার দাবি করেছেন রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বর্তমানে ...

মাদক ও জুয়ামুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে ধানদিয়ায় ফুটবল বিতরণ।

৯টি ওয়ার্ডে ১৩টি ফুটবল বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা গাজী মামুনূর রশীদ মাদক ও জুয়ার মতো ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে তরুণ সমাজকে ...

সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরির বিষয়ে কাউকে দিয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা

কোনো সরকারি কর্মচারী তার চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে কাউকে দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে ওই কর্মচারীর (আইনানুযায়ী কর্মকর্তারাও কর্মচারী) বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া ...

এত স্কুল, এত পরীক্ষা, এত সার্টিফিকেট। কিন্তু এত কিছুর ভিড়ে সত্যিকারের শিক্ষাটা আসলে কোথায়? অথচ উচিত ছিল পরীক্ষার জন্য নয়, পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা।

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, #মহান_শিক্ষা_দিবস। ১৯৬২ সালের এই দিনে বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে রাজপথে রক্ত দিয়েছিলেন মোস্তফা, বাবুল, ওয়াজিউল্লাহসহ অনেকে। সেই ঘটনার ...

Showing Slide 1 of 5