শিরোনাম

** বিশ্বজয়ী কুরআন হাফেজদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ | ** অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প | ** নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে নুসরাত ফারিয়া | ** কিশোর গ্যাং দমনে মোহাম্মদপুরে হচ্ছে ৩ থানা: ববি হাজ্জাজ | ** নতুন নেতৃত্ব প্রায় চূড়ান্ত, কার ভাগ্যে কোন পদ? | ** গার্মেন্টস কর্মকর্তা হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন | ** দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান | ** আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও শিল্প পুনরুদ্ধারে নতুন করে খুলনাকে গড়তে হবে: হুইপ বকুল | ** অন্য দেশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা বন্ধ করতে হবে -শি জিনপিং | ** উদ্বোধনী দিনেই কার্ডের প্রণোদনা পাচ্ছেন লক্ষাধিক কৃষক: কৃষিমন্ত্রী | ** সিএমএইচে আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনের পাশে প্রধানমন্ত্রী | ** চিকনি চামেলি’ থেকে ‘কালা চশমা’ নাচে বাজিমাত ক্যাটরিনার |

যোগাযোগ ‘বিচ্ছিন্ন’ ইমরান খান, দুই ছেলের উদ্বেগ

image_print
image_print

পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার দুই ছেলে কাসিম ও সুলাইমান। তাদের দাবি, গত সাত মাস ধরে তাদের বাবা, তার চিকিৎসক, পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের কেউই ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। ফলে বাবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যও নেই।

কাসিম ও সুলাইমান ইসা খান বলেন, আমাদের কাছে কোনো আপডেট নেই। কারণ গত সাত মাস ধরে তার পরিবার, চিকিৎসক ও আইনজীবীদের তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) হাজারো নেতাকর্মী। এসব কর্মসূচি থেকে সাবেক এই ক্রিকেটার ও রাজনীতিক এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির মুক্তির দাবি জানানো হয়।

ইমরান খান ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে তার সরকারের পতন হয়। এর পর ২০২৩ সালে দুর্নীতি এবং রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য প্রকাশসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার সাজা হয়। তবে ইমরান খান ও তার সমর্থকেরা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। তাদের মতে, বর্তমান সরকারের বিরোধিতা করার কারণেই এসব মামলা করা হয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। তবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই পক্ষই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইমরানের নেতৃত্বে বড় বড় সমাবেশ ও আন্দোলনের পর শাহবাজ শরিফের সরকার তার দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে। পিটিআইয়ের বহু নেতাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে দলটিকে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ইমরানের সমর্থকেরা।

লন্ডন থেকে বাবার মুক্তির দাবি

ইমরান খানের দুই ছেলে কাসিম ও সুলাইমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করছেন। ২০০৪ সালে ইমরান খানের সঙ্গে তাদের মা জেমিমা গোল্ডস্মিথের বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পর থেকে তারা লন্ডনে থাকেন।

বাবার কারাবন্দিত্বের পর থেকেই তারা তার মুক্তির দাবিতে সোচ্চার। তারা দাবি করেন, গণমাধ্যমে বাবার বিষয়ে কথা বলার পর পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাদের ইমরানের সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে নতুন নতুন বাধা তৈরি করে। কখনো তাদের ভিসা দিতে দেরি করা হয়েছে, আবার কখনো বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতায় তাদের আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

কাসিম বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, আমরা যেতে চাই। কিন্তু কিছুই হচ্ছে না। আমাদের ভিসা না দেওয়ার কোনো কারণ নেই।

তবে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় কাসিম ও সুলাইমানের এই অভিযোগকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুজনের কাছেই ওভারসিজ পাকিস্তানিজদের জন্য ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড রয়েছে। এই কার্ড থাকলে পাকিস্তানে প্রবেশের জন্য তাদের ভিসার প্রয়োজন হওয়ার কথা নয়।

তবে কাসিম ও সুলাইমান জানিয়েছেন, তাদের ওই কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং সেগুলো নবায়ন করা হয়নি। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের এই দাবি নিয়ে কোনো জবাব দেয়নি।

ইমরানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ চায় অ্যামনেস্টি

ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার অধিকার পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

এ সপ্তাহে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি ইমরান খান ও বুশরা বিবির পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার অধিকার ‘নিঃশর্তভাবে পুনর্বহাল’ করার আহ্বান জানিয়েছে।

অ্যামনেস্টি বলেছে, তাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। একই সঙ্গে তাদের কথিত একাকী বন্দিত্বও অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সংস্থাটির মতে, এ ধরনের একাকী বন্দিত্ব আইনসম্মত নয়।

‘সাত মাস যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন’ থাকার দাবি প্রত্যাখ্যান সরকারের

ইমরান খানকে সাত মাস ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে—তার পরিবারের এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান সরকার।

পাকিস্তান সরকার বলেছে, ইমরান খানকে সাত মাস ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে কিংবা তার পরিবার, আইনজীবী ও চিকিৎসকদের তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

সরকারের দাবি, ইমরান খান তার পরিবার ও অন্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২১ মার্চ ইমরান তার এক ছেলের সঙ্গে সর্বশেষ ফোনে কথা বলেছেন।

সরকার বলেছে, এই ফোনকলই প্রমাণ করে যে ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। বরং পাকিস্তানের কারাগারের নিয়ম, আদালতের নির্দেশ, অনুমোদিত সময়সূচি এবং একজন গুরুত্বপূর্ণ বন্দির নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে তার যোগাযোগ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

ইমরানের অবস্থা ‘স্থিতিশীল’: পাকিস্তান সরকার

ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়েও নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

সরকারের দাবি, ইমরান খান বর্তমানে সচেতন ও স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থায় কোনো গুরুতর বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা অবনতি হয়নি।

সরকার আরও জানিয়েছে, ইমরান নিয়মিত চিকিৎসা, ওষুধ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও ফলোআপ পাচ্ছেন। কারাগারের নিয়ম ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ইমরান কারাগারে কী ধরনের পরিবেশে থাকছেন, তারও বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

সরকারের ভাষ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে একটি বিশেষ সাত কক্ষের কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। ওই স্থাপনাটি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন বন্দির জন্য তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৫৭ ফুট বাই ১৪ ফুটের একটি করিডর এবং ৩৫ ফুট বাই ৩৭ ফুটের একটি লন রয়েছে।

এ ছাড়া সেখানে একটি বিছানা, গদি, চারটি বালিশ, কম্বল, টেবিল, চেয়ার, স্যানিটেশন সুবিধা এবং ব্যায়ামের সরঞ্জাম রয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের দাবি, ইমরানের থাকার এই ব্যবস্থা তাকে বিচ্ছিন্ন, অবহেলিত বা শাস্তিমূলকভাবে রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো সরকারের এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর আগে ইমরানের দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সমর্থকদের ব্যাপক গ্রেফতারকে ইচ্ছামতো আটক হিসেবে বর্ণনা করেছে।

অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, ইমরানের দলের অনেক নেতা-কর্মী এখনো সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে সামরিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কাসিম।

‘বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো রিপোর্ট দেখানো হচ্ছে না’

ইমরানের দুই ছেলেও পাকিস্তান সরকারের বক্তব্য নিয়ে সন্তুষ্ট নন।

কাসিম বলেন, তাদের বাবার কোনো স্বাস্থ্য প্রতিবেদন তাদের দেখানো হচ্ছে না। ফলে কারাগারে থাকার সময় ইমরানের শারীরিক অবস্থার কতটা অবনতি হয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত হতে পারছেন না।

তিনি বলেন, তারা আমাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দেখাতে অস্বীকার করছে। তাই তার স্বাস্থ্য এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হয়ে থাকতে পারে।

ইমরানের দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের বিষয়টিও তুলে ধরেন কাসিম। তার দাবি, পিটিআইয়ের অনেক নেতা-কর্মী এখনো সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে সামরিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

সরকারের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা দেখছেন না দুই ছেলে

ইমরান খান পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতায় যাবেন কি না—এমন প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন তার দুই ছেলে।

সুলাইমান বলেন, তার বাবা এমন কোনো সমঝোতায় রাজি হবেন না, যার ফলে অন্য রাজনৈতিক বন্দিরা কারাগারেই থেকে যাবেন। অন্য রাজনৈতিক বন্দিদের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের সমাধান না হলে ইমরান এককভাবে সরকারের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাবেন না বলেই মনে করেন তিনি।

কাসিমও মনে করেন, ইমরানের সঙ্গে সরকারের সমঝোতার সম্ভাবনা কম। তবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

কাসিম বলেন, তারা আমাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দেখাতে অস্বীকার করছে। তাই তার স্বাস্থ্য এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হয়ে থাকতে পারে।

‘যারা ক্ষমতায় আছেন, তাদের নজর দেওয়া উচিত’

ইমরানের দুই ছেলে শুধু তাদের বাবার মুক্তি নয়, পাকিস্তানের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

কাসিম বলেন, পাকিস্তানে কী ঘটছে, সে বিষয়ে ‘যে কারও হাতে ক্ষমতা আছে তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

তিনি বলেন, আমি জানি, অনেক কিছুই ঘটছে। কিন্তু এটি সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয়গুলোর একটি। শুধু ছেলে হিসেবে নয়, পুরো দেশের জন্যই এটি খুবই হতাশাজনক।

কাসিম আরও বলেন, ৩৫ কোটি মানুষ তাকে ভোট দিয়েছে, তাকে সমর্থন করে এবং চায় তিনি দেশ পরিচালনা করুন। অথচ তাদের পছন্দের সেই ব্যক্তিকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে এবং তিনি কোনো ভালো কারণ ছাড়াই কারাগারের পেছনে রয়েছেন।

ইমরান খানের দুই ছেলের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে তার কারাবন্দিত্ব, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ এবং পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে পরিবারের অভিযোগের বিপরীতে পাকিস্তান সরকার বলছে, তার সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি এবং তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন।

সূত্র: সিএনএন

এমএম/এসজাবা

নিউজে সর্বশেষ

ভূমি কর্মকর্তাদের নজরদারি করবে ‘ভূমি দৃষ্টি’ অ্যাপ

মাঠপর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে নতুন একটি অ্যাপ চালু করেছে ভূমি ...

৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে টিসিবি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে টিসিবি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানান, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে ...

বিসিক কার্যালয় থেকেই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে, কারা পাবেন

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) থেকে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ ...

কিছু অভ্যাসে সত্তরেও থাকবেন সুস্থ

বয়স ৩০ থেকেই কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে বয়স সত্তরে এসেও সুস্থ ও সক্রিয় থাকা সম্ভব। নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ...

Showing Slide 1 of 5