শিরোনাম

** সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরির বিষয়ে কাউকে দিয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা | ** ৩০ বছরের ট্রেন ৮ বছরেই মর্গে! সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে নেই দায়িত্বশীলতা। | ** বিশ্বজয়ী কুরআন হাফেজদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ | ** অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প | ** নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে নুসরাত ফারিয়া | ** কিশোর গ্যাং দমনে মোহাম্মদপুরে হচ্ছে ৩ থানা: ববি হাজ্জাজ | ** নতুন নেতৃত্ব প্রায় চূড়ান্ত, কার ভাগ্যে কোন পদ? | ** গার্মেন্টস কর্মকর্তা হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন | ** দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান | ** আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও শিল্প পুনরুদ্ধারে নতুন করে খুলনাকে গড়তে হবে: হুইপ বকুল | ** অন্য দেশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা বন্ধ করতে হবে -শি জিনপিং | ** উদ্বোধনী দিনেই কার্ডের প্রণোদনা পাচ্ছেন লক্ষাধিক কৃষক: কৃষিমন্ত্রী |
  • দেশজুড়ে
  • জেলার খবর
  • সাতক্ষীরার তালা সার্জিক্যালে ভুল চিকিৎসায় যমজ সন্তানের মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন

সাতক্ষীরার তালা সার্জিক্যালে ভুল চিকিৎসায় যমজ সন্তানের মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন

image_print
image_print
যমজ সন্তান প্রসবের পর জরায়ুতে গর্ভফুলের অংশবিশেষ রেখে প্রসূতিকে ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকের বিরুদ্ধে। সঠিক তদারকি ও চিকিৎসকদের চরম গাফিলতির কারণে প্রসূতি রিমা খাতুন (১৮) প্রসব-পরবর্তী জীবনঘাতী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে এক সন্তান মারা গেছে এবং চিকিৎসাধীন প্রসূতির অবস্থাও অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৫ জুলাই তালা উপজেলার মেলা বাজারে অবস্থিত তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।
​মেডিকেল রিপোর্টের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রসবের পর গর্ভফুল বা প্রসব-সংক্রান্ত উপাদান সম্পূর্ণ অপসারণ না করেই প্রসূতিকে ছাড়পত্র দেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। ফলে জরায়ুতে অবশিষ্ট অংশ থেকে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ হতে থাকে এবং রোগী মারাত্মক রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জরায়ু পরিষ্কার ও রক্ত সঞ্চালন করে তার চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, প্রসবের পর জরায়ু সঠিকভাবে পরীক্ষা না করে রোগীকে ছেড়ে দেওয়া চরম চিকিৎসাগত অবহেলা, যা প্রসূতির প্রাণহানির কারণ হতে পারতো।
রিমা খাতুনের বাবা তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামের শুকুর আলী সরদার লিখিত অভিযোগে জানান, তার মেয়ে রিমা খাতুন এবং জামাতা মো. সেলিম খাঁ (গ্রাম: আলাউদ্দীপুর, জাতপুর) অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় গত ৪ জুলাই পরামর্শের জন্য তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে যান। পরদিন ৫ জুলাই শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভর্তি করা হয়। ক্লিনিকটির স্বত্বাধিকারী বিধানের পরামর্শে নরমাল ডেলিভারির উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিধান নিজে উপস্থিত থেকে একজন নার্সকে দিয়ে এপিসিওটমি (সাইট কাটা) ও সেলাইয়ের কাজ করান। ঐ দিনেই রিমা দুই যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
​সন্তানদের জন্মের পরপরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রসূতিকে ক্লিনিকে রেখেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে নবজাতকদের খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তীতে ৭ জুলাই রিমা খাতুনকে ক্লিনিক থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তিনিও খুলনায় সন্তানদের কাছে যান। সেখানে পৌঁছানোর একদিন পর রিমা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, তার জরায়ুতে গর্ভফুলের অংশবিশেষ রয়ে গেছে। পরে ডাক্তারদের পরামর্শে জরুরি চিকিৎসা দিয়ে তার জরায়ু থেকে গর্ভফুল অপসারণ করা হয়।
​রিমার স্বামী সেলিম খাঁ অভিযোগ করে বলেন, “ডাক্তারের পরিবর্তে ক্লিনিক মালিক বিধান নিজে উপস্থিত থেকে নার্সের মাধ্যমে চিকিৎসাকার্য পরিচালনা করেন। এই ভুল চিকিৎসার কারণেই আমার স্ত্রী আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। যদিও আমাদের একটি সন্তান মারা গেছে। আমরা এই অপচিকিৎসার উপযুক্ত বিচার চাই।” প্রসূতির শাশুড়িও ক্লিনিকের এমন অবহেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে ক্লিনিক মালিক বিধান রায়ের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের ক্লিনিকে আনার কিছুক্ষণের মধ্যে  ঐ মহিলার নরমাল ডেলিভারি হয়েছে,তাদেরকে আমরা খুলনাতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। এখানে আমাদের কোন দোষ নেই।
##

নিউজে সর্বশেষ

সরকারি কর্মচারী নিজের চাকরির বিষয়ে কাউকে দিয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা

কোনো সরকারি কর্মচারী তার চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে কাউকে দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে ওই কর্মচারীর (আইনানুযায়ী কর্মকর্তারাও কর্মচারী) বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া ...

এত স্কুল, এত পরীক্ষা, এত সার্টিফিকেট। কিন্তু এত কিছুর ভিড়ে সত্যিকারের শিক্ষাটা আসলে কোথায়? অথচ উচিত ছিল পরীক্ষার জন্য নয়, পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা।

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, #মহান_শিক্ষা_দিবস। ১৯৬২ সালের এই দিনে বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে রাজপথে রক্ত দিয়েছিলেন মোস্তফা, বাবুল, ওয়াজিউল্লাহসহ অনেকে। সেই ঘটনার ...

৩০ বছরের ট্রেন ৮ বছরেই মর্গে! সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে নেই দায়িত্বশীলতা।

সাড়ে ছয়শ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয়েছিল ২০টি ডেমু ট্রেন। কথা ছিল অন্তত ৩০ বছর চলবে এগুলো। কিন্তু তদারকির অভাবে ...

আলামপুর ইউপি আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সেক্রেটারি দুলাল ন্যাংড়া আটক

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়ন এর স্বস্তিপুর ১নম্বর ওয়ার্ড এর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি দুলাল সর্দার(ন্যাংড়া) আজ রাত আনুমানিক ৩:২০ মিনিটে ...

Showing Slide 1 of 5