ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রক্রিয়াজাতের পর ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় সরবরাহের অভিযোগে মানিকগঞ্জে ৯ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে একটি পরিত্যক্ত কারখানা থেকে ১৩টি জবাই করা ঘোড়া ও একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর পাট গবেষণা এলাকায় পরিত্যক্ত হাসান অ্যান্ড ব্রাদার্সের একটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিক্তা খাতুনের নেতৃত্বে অভিযানে জবাই করা অবস্থায় ১৩টি ঘোড়া পাওয়া যায়।এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়।
পরে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে আইনের ২৪ ধারায় তাদের সাজা দেওয়া হয়। এর মধ্যে একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং৷ অপর আটজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড৷ দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক রিক্তা খাতুন জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় ঘোড়া জবাই করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় মাংস সরবরাহের কথা স্বীকার করেছেন। সিংগাইর৷ উপজেলার হিরু নামের এক ব্যক্তি তাদের ভাড়া করে ঘোড়া জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতের কাজ করাতেন বলেও তারা জানিয়েছেন।
বিচারক বলেন, জবাই করা ১৩টি ঘোড়ার প্রক্রিয়াজাত মাংস ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
অভিযানে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
- এমএম/এসজাবা






